প্রবীর মিত্র, বাংলা চলচ্চিত্রের এক পরিপূর্ণ অভিনেতা, যিনি নিজ প্রতিভা ও মননের মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গেড়েছেন
| প্রবীর মিত্র কেবল অভিনয়ে নয়, ক্রীড়াক্ষেত্রেও ছিলেন সফল |
পৈতৃক নিবাস : চাঁদপুর
দাম্পত্য সঙ্গী : অজন্তা মিত্র (প্রয়াত) পিতা-মাতা : গোপেন্দ্র নাথ মিত্র (পিতা), অমিয়বালা মিত্র (মাতা)
শিক্ষা : সেন্ট গ্রেগরি স্কুল, পোগজ স্কুল, এবং জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে স্নাতক
প্রবীর মিত্র চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করলেও বংশপরম্পরায় পুরনো ঢাকায় বেড়ে ওঠেন। তাঁর স্ত্রী অজন্তা মিত্র ২০০০ সালে পরলোকগমন করেন, এবং তাঁর চার সন্তানের মধ্যে ছোট ছেলে ২০১২ সালে ইন্তেকাল করেন। কর্মজীবন
লালকুটি থিয়েটার গ্রুপে নাট্যচর্চার মাধ্যমে প্রবীর মিত্রের অভিনয় জীবন শুরু হয়। স্কুলে পড়ার সময় প্রথমবারের মতো রবীন্দ্রনাথের ‘ডাকঘর’ নাটকে প্রহরীর চরিত্রে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে পরিচালক এইচ আকবরের হাত ধরে "জলছবি" চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যার গল্প লিখেছিলেন তাঁর স্কুলজীবনের বন্ধু এটিএম শামসুজ্জামান। ক্যারিয়ারের শুরুতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করলেও পরবর্তী সময়ে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন।
ক্রীড়া জীবন
ষাটের দশকে তিনি ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেটে ক্যাপ্টেন ছিলেন। পাশাপাশি ফার্স্ট ডিভিশন হকি খেলেছেন ফায়ার সার্ভিসের হয়ে এবং কামাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে সেকেন্ড ডিভিশন ফুটবলও খেলেছেন।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র
ঋত্বিক ঘটকের "তিতাস একটি নদীর নাম", "জীবন তৃষ্ণা", "চাবুক", "সীমার", "তীর ভাঙা ঢেউ", "শেয়ানা", "রঙ্গীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা", "মিন্টু আমার নাম", "প্রতিজ্ঞা", "অঙ্গার", "পুত্রবধূ", "নয়নের আলো", "জয় পরাজয়", "চাষীর মেয়ে", "দুই পয়সার আলতা", "আবদার", এবং "রাজবধূ"।
স্মৃতিচারণ
২০২০ সালে ত্রিশালে তাঁর সাথে আমার কিছু সময় কাটানোর সৌভাগ্য হয়, যেখানে তাঁর সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতা হয়েছিল। বর্তমানে (২০২৪ সালে) প্রবীর মিত্র শারীরিকভাবে অনেকটাই দুর্বল, তবে তাঁর প্রতি সৃষ্টি কর্তার আশীর্বাদ থাকুক, যেন তিনি দীর্ঘজীবী হন।
✍️ itbd69.com


আজকের আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url