সাদ্দামের মুক্তি: মানবিক রাষ্ট্র, নাগরিক অধিকার ও বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার প্রশ্ন
প্যারোল ও জামিন না মেলায় প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্রের মানবিকতা—
ধরা যাক, সাদ্দাম একজন ভয়ংকর অপরাধী।
তাই বলে কি তার স্ত্রী ও সন্তানের লাশটুকু দাফনের অধিকারও রাষ্ট্র কেড়ে নিতে পারে?
এটা কি স্পষ্টভাবে নাগরিক অধিকারের হরণ নয়?
রাষ্ট্র তার নাগরিককে জামিনের অধিকার দিয়েছে—কারণ মানুষ মাত্রই ভুল করতে পারে, আর বিচার মানে প্রতিশোধ নয়; বিচার মানে ন্যায়ের পথে চলা।
প্যারোল কোনো দয়া বা করুণা নয়, এটি একটি মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বীকৃতি।
কিন্তু বারবার জামিন আবেদন করেও যখন বিজ্ঞ বিচারকগণ তা মঞ্জুর করেন না, তখন মনে হয়—এই দেশের ইতিহাসে বুঝি ওই হতভাগা ছেলেটির মতো ভয়ংকর অপরাধী আর কেউ নেই!
এত বড়, এত নির্মম, বুক চিরে দেওয়া করুণ ঘটনার পরও যখন প্যারোলে মুক্তির দরজাটুকু পর্যন্ত খোলা হয় না, তখন প্রশ্ন জাগে—সাদ্দাম নামের মানুষটি কি আদৌ মানুষ?
সে যদি মুক্তি পেত, তাহলে কি আকাশ ভেঙে পড়ত?
রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যেত?
ইন্টেরিম ব্যবস্থা ভেঙে পড়ত?
না।
ভেঙে পড়ে আসলে আমাদের বিবেক।
এই দেশ হিংসা ও প্রতিহিংসার জন্য নয়।
গুটিকয়েক বিকৃত মানসিকতার সাইকো ছাড়া কেউ এমন বাংলাদেশ চায় না—অতীতেও চায়নি, ভবিষ্যতেও চাইবে না।
আমরাও চাই না।
এই কারণেই আজ মনে হয়—ক্ষমতাধর, নিষ্ঠুর ও অসৎ মানসিকতার মানুষদের চেয়ে ফুটপাতে কুকুর জড়িয়ে শীতে কাঁপতে থাকা মানুষগুলো অনেক বেশি মানবিক, অনেক বেশি নিরাপদ।
তাদের চোখে এখনো মমতা আছে, ঘৃণা নেই।
এই দেশে মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাটাই আজ যেন সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে—
আর এই সত্যটাই সবচেয়ে ভয়ংকর।
এসব নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে আগেও কথা বললে যেমন ট্যাগ দেওয়া হতো, এখনও ঠিক সেই ট্যাগই দেওয়া হয়।
অথচ এই মানুষগুলোর সবাই নিজেকে সাধু হিসেবে দাবি করে।
একটা অসভ্য রাষ্ট্রকাঠামো। 🙏
এ দেশে কবে ফিরবে সুস্থ ধারার রাজনীতি?
বিচার না প্রতিশোধ: সাদ্দাম, মানবিকতা ও রাষ্ট্রের বিবেক
অপরাধীর অধিকার কোথায়? প্রশ্নের মুখে রাষ্ট্রব্যবস্থা
প্যারোল দয়া নয়: মানবিক রাষ্ট্রের ন্যূনতম দাবি
এই দেশে মানুষ হওয়াই কি অপরাধ?
বিবেকের আদালত বনাম রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতা
ন্যায়ের নামে প্রতিহিংসা: রাষ্ট্র কি সীমা ছাড়াচ্ছে?
সাদ্দাম প্রসঙ্গ: বিচারব্যবস্থা ও মানবাধিকারের সংকট
মানবিক বাংলাদেশ কোথায় হারাল?
অপরাধী হলেও সে মানুষ: রাষ্ট্রের কাছে জবাব চাই
হিংসা নয়, ন্যায় চাই: প্রশ্নবিদ্ধ বিচারপ্রক্রিয়া



এখানে রাষ্ট্রের কোনো দায় নেই,তাকে সাময়িক ভাবে ছাড়ার জন্য আবেদন ও করা হয়নি।মুখে মুখে তো আর ছেড়ে দিবেনা অনুমতি ছাড়া। আবেগে ভেসে গেলে তো আর হবেনা।
নেতা পালিয়েছে,পাতি নেতার জীবন ধংস করে।আরো গিয়ে নেতার পা চাটো।সংসার করো,হুশ নাই।