ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা

ঈদুল ফিতর ও আজহার নামাজের নিয়ম মূলত একই, যা দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ, যেখানে প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহার পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির ও দ্বিতীয় রাকাতে সূরা মেলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দিতে হয়, মোট ৬টি অতিরিক্ত তাকবিরসহ। নিয়ত আরবি বা বাংলায় করা যায়, তবে মুখে উচ্চারণ জরুরি নয়, অন্তরে সংকল্পই যথেষ্ট; মূল বিষয় হলো 'আল্লাহু আকবার' তাকবিরের সাথে অতিরিক্ত তাকবিরগুলো দিয়ে নামাজ আদায় করা। 

নামাজের নিয়ম (আরবি ও বাংলা উচ্চারণসহ)
১. নিয়ত:
২. প্রথম রাকাত:
  • তাকবিরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলে হাত বাঁধা।
  • সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম পড়ার আগে অতিরিক্ত ৩ তাকবির, প্রত্যেকবার হাত তুলে 'আল্লাহু আকবার' বলা।
  • এরপর সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়া, রুকু, সিজদা করা। 
৩. দ্বিতীয় রাকাত:
  • প্রথম রাকাতের মতো সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়া।
  • রুকুর আগে অতিরিক্ত ৩ তাকবির, প্রত্যেকবার হাত তুলে 'আল্লাহু আকবার' বলা।
  • এরপর রুকু, সিজদা, তাশাহহুদ, দরুদ ও সালাম। 
৪. তাকবির (ঈদের দিন):
  • ঈদের দিন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এবং জামাতে যাওয়ার পথে এই তাকবিরগুলো পড়া সুন্নত:
গুরুত্বপূর্ণ: নিয়তের ক্ষেত্রে মুখে উচ্চারণ করা বাধ্যতামূলক নয়, বরং অন্তরে সংকল্পই যথেষ্ট। মূল নিয়ম হলো অতিরিক্ত তাকবিরগুলো সহকারে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা। 
 ঈদুল ফিতর (Eid al-Fitr) ও ঈদুল আযহা (Eid al-Adha) দুটি আরবি শব্দ, যার উচ্চারণ হলো যথাক্রমে 'ঈদুল ফিতর' (Eid-ul-Fitr) এবং 'ঈদুল আযহা' (Eid-ul-Adha), যেখানে 'ঈদুল ফিতর' মানে 'উপবাস ভাঙার উৎসব' এবং 'ঈদুল আযহা' মানে 'ত্যাগের উৎসব', যা যথাক্রমে রমজান শেষে ও কোরবানির ঈদে পালিত হয় এবং নামাজ ও তাকবীরের মাধ্যমে উদযাপিত হয়। 
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url